রোমানা ও হাসিনা। তারা মিয়া ও শহিদুল। চালচুলো নেই তাদের। অভাবের সংসার। কিন্তু অভাব ছিল না ভালবাসার। তাই পশ্চিমা জীবনের সুইঙ্গিং বা সোয়াপিং সম্পর্কে না জানলেও, হলিউডি ছবি ‘বব অ্যান্ড কেরল অ্যান্ড টেড অ্যান্ড এলিস’ (১৯৬৯) সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকলেও তিস্তাপাড়ের শান্তিরাম গ্রামে সে রকমই এক ভালবাসার টানে তারা গড়ে তুলেছেন শান্তির নীড়। নিজেদের মতো করে সাজিয়ে নিয়েছেন নিজের ঘর-সংসার। বেছে নিয়েছেন বউ, স্বামী। বদল করেছেন পরস্পরের দাম্পত্য জীবন। বদল বউদের একজন রোমানা সুখেই আছে এখন। দেখতে-শুনতেও মন্দ নয়। সুন্দরী বলে গ্রামের সবাই তাকে বউ সুন্দরী হিসেবে চেনে। বউ এবং স্বামী বদলের পর নতুন স্বামী শহিদুলের অভাবী সংসারে রোমানা নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। নিজের জায়গাজমি এমনকি মাথা গোঁজার মতো ঘর নেই তার। তবুও অশান্তিতে নেই রোমানা। যা জোটে তাই খেয়ে শহিদুলের নতুন সংসারে আশায় বুক বেঁধেছে। সে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে নতুন কোন অতিথির। বউ বদল নিয়ে গ্রামের সবার মুখে মুখে নানা কথা থাকলেও রোমানা এ বিষয়ে আর পিছিয়ে থাকতে রাজি নয়। তবে বদল হওয়া আরেক বউ হাসিনা বেগম সাংবাদিক এসেছে শুনে ঘরে তালা লাগিয়ে গ...